ধুন্ধুমার কাণ্ড। শক্তি সেন।

ধুন্ধুমার কাণ্ড।
শক্তি সেন।
২৯/০৭/২০২০
অসুর ধুন্ধু কে মেরে যিনি হলেন ধুন্ধুমার
বালু নীচে অবস্থান ছিল যে , যাহার।
দেববলে বলিয়ান , না ছিল সে বধ্য,
দক্ষ-রক্ষ-গন্ধব’-কিন্নর দেবগণেরওছিল অবধ্য
দুনিয়ার সকলের অনিষ্ট করা ছিল তার কাম
দুরাচার ,ভীষণ অত্যাচারী হিসেবে ছড়ায় তার নাম।
ধ্যানভঙ্গে তিতিবিরক্ত ঋষি উত্তঙ্ক প্রতিকার চান
বিচলিত হয় তিনি বৃহদশ্বের রাজবাড়িতে যান।
রাজা বৃহদশ্ব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তখন বানপ্রস্থে যেতে
ফিরতে রাজি হননি তিনি ফের রাজ্য চালাতে।
পুত্র কুবলাশ্বকে রাজা করে প্রতিকারের নিদান তিনি দিলেন
“রাজশক্তির সাথে তপঃশক্তির প্রয়োজন” এ ঋষি মত দিলেন।
ঋষি উত্তঙ্ক শ্রীবিষ্ণুর কাছে শক্তিবৃদ্ধির বর পেল,
কুবলাশ্ব তায় অমিত শক্তির অধিকারী হল।
শুরু হল ‘অপারেশন’ দুশ’ হাতে বালু খুঁড়াখুঁড়ি
সবশেষে দেখা গেল ধুন্ধুর প্রাসাদতুল্য বাড়ি।
ধুন্ধু তখন মহা আক্রোশে ফেটে পড়ল গিয়ে
শত পুত্রকে মারতে তখন ছুটে এল ধেয়ে।
একে একে সাতানব্বই পুত্রকে করিল নিধন
পড়ে রইল তখন মাত্র আর তিন জন।
এরপর নজর পড়ে কুবলাশ্বের দিকে
বিষ্ণুশক্তির প্রভাবে অসুরশক্তি হয়ে যায় ফিকে।
মুখে তার আগুণের তীব্র ঝলক,জলময় বেগ
পেয়ে গেল তীব্র গতি, ধরে নিল ভেক।
মূহুতে’ পান করে রাজা তার জলময় বেগ
যোগময় জলে নিভিয়ে ফেলে যত কিছু তেজ।
অসুর ধুন্ধু হয়ে পড়ে শেষে নিস্তেজ হীনবল
ধড় থেকে প্রাণ বেরিয়ে এল, হল তার ফল।
শান্ত হল গোটা পৃথিবী, জনপদ সারা
ঋষির আশীষে মৃত প্রাণ ফিরে পায় তারা।
আজও সমাজে বৃহৎ কিছু ঘটনা ঘটিলে
তারে “ধুন্ধুমার কাণ্ড” বলিয়া থাকে সকলে।
Comments
Post a Comment